"হে সুন্দর-
সর্বত্রই দৃশ্যমান তুমি"
মিজানুর ভূঁইয়া
বাগানের সবুজ বৃক্ষগুলোর দিকে যখন তাকাই;
মনে হয়, প্রতিটি সবুজ পাতার অবয়ব সে তোমারি ।
আবার যখন শুকনো এবং মৃত জরাজীর্ণ বৃক্ষের দিকে তাকাই;
হঠাৎ করে দেখি তরতরিয়ে সমস্ত বৃক্ষটি সবুজ
পাতা গজিয়ে সজীব ও নব যৌবনা হয়ে উঠে ।
সেও কি তুমি!
বাগানের সদ্য গজিয়ে উঠা ফুলের গাছগুলোর দিকে যখন তাকাই; একি অবাক কান্ড!
সমস্ত গাছগুলোতে হুড়হুড় করে নানা রঙ্গের ফুলে ফুলে ভরে উঠে।
সেও কি তুমিই!
কাঠফাটা রোদ্দরে বাইরে যখন একেবারে সব কিছুই খাঁ খাঁ করে;
আর অমনি যখন আকাশের দিকে তাকাই।
কি ভয়ানক কান্ড; ঝরঝরিয়ে শান্তির বৃষ্টির ধারা ঝরতে থাকে ।
তাহলে সেও কি তুমি!
দুঃখ বেদনার অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে যখন কষ্টের সাগরে ভাসতে থাকি।
হঠাৎ দেখি শান্তির আলোক প্রদীপ নিয়ে কে যেনো আমার পাশে দাঁড়িয়ে।
সেওকি সত্যিই তুমি!
ঘুষঘুষে অমাবশ্যার অন্ধকার ঘিরে আছে চারিদিকে।
আর যখনই আকাশের দিকে তাকাই;
কি অদ্ভুত অপূর্ব আলোক মেলায় চাঁদ তারারা ঝিকিমিকি করছে।
আমি নিশ্চিত সেটাও তুমিই হবে l
আজকাল সব কিছু এমন হঠাৎ করে বদলে গিয়ে
এতো সুন্দর হয়ে যায় কেন?
আগেতো এমন হতোনা;
তাহলে আগে তুমি ছিলেনা বলেই কি হতোনা l
আর এখন আছো বলেই কি হচ্ছে।
আর সে কারনেই কি আমি পৃথিবীর সর্বত্রই এবং সব কিছুতেই;
তোমার উপস্থিতি ও দৃশ্যমানতার ঠিকানায়
আমার সুন্দরতম অস্তিত্বকে খুঁজে পাই!!!!
হয়তো তোমার সব কিছুই সুন্দর তাই l
*************************************
২৭ জুলাই ২০১৮
ভার্জিনিয়া উই এস এ
Friday, July 27, 2018
Saturday, March 24, 2018
"লাল সবুজের পতাকাও আজ লজ্জিত"
বিজয়ের এই মাসে কতিপয় দুর্বৃত্তের হায়নাদারি কায়দায় তনু'র সন্মানহানি করে তাকে নারকীয়ভাবে হত্যা এবং লক্ষীপুরে সন্তানের সামনে মা'কে বিবস্র করে তার মাথা কামিয়ে সন্মানহানির মত জঘন্য পৈশাচিকতার নিন্দা জ্ঞাপন স্বরূপ আমার এই প্রতিবাদের
কবিতা:-
"লাল সবুজের পতাকাও আজ লজ্জিত"
মিজানুর ভূঁইয়া
বিজয়ের এই মাসে আসেনাতো মুখে কোনো হাঁসি
এই জাতির গলায় এ কেমন কলঙ্কের ফাঁসি।
লজ্জায় মাথা নত, ভাবতে বড়ই অবাক লাগে
দুর্বৃত্তের পাপাচারে পুরো দেশ গেছে ফেঁপে।
স্বাধীন দেশে যে সময় উড়ছে লাল সবুজের পতাকা
সেই মাটিতে এখন লজ্জা আর যায়না ঢাকা।
হিংস্র পশুদের পদাচারণে বিভৎস্য এই ভূমি
পুরো দেশটি যেন তাদের পৈত্রিক চাষাবাদের জমি।
নীরিহ মানুষগুলোকে ভাবে তাদের নিজ রাজ্যের প্রজা
যখন তখন অত্যাচার, আর দেয় তাদের সাজা।
আইন কেন আইন নয়; ভয় করেনা কিছু লোকে
নিরীহ মানুষগুলো সেকারণে আজীবন ভোগে।
অর্থ বিত্ত আর রাজনীতির কাছে পুরো দেশ জিম্মি
তাই খুন খারাপি করেও মোসাহেব থাকে বুক টান,
খায় পোলাও কোর্মা আর ফিরণী।
আইন যখন শুধুই নির্বিকার ঐ আইনি খাতায়
মানুষ অসহায় তখন কোন প্রতিকার নাহি পায়।
শহীদের আত্না আজও গুমড়ে গুমড়ে কাঁদে
অর্ধশত বছর পরেও মানুষ কেন একই মরন ফাঁদে।
====================================
২৪ মার্চ ২০১৬
ভার্জিনিয়া ইউ এস এ
Read from Blog
http://mrbhuiyan4.blogspot.com/2016/03/blog-post_24.html
কবিতা:-
"লাল সবুজের পতাকাও আজ লজ্জিত"
মিজানুর ভূঁইয়া
বিজয়ের এই মাসে আসেনাতো মুখে কোনো হাঁসি
এই জাতির গলায় এ কেমন কলঙ্কের ফাঁসি।
লজ্জায় মাথা নত, ভাবতে বড়ই অবাক লাগে
দুর্বৃত্তের পাপাচারে পুরো দেশ গেছে ফেঁপে।
স্বাধীন দেশে যে সময় উড়ছে লাল সবুজের পতাকা
সেই মাটিতে এখন লজ্জা আর যায়না ঢাকা।
হিংস্র পশুদের পদাচারণে বিভৎস্য এই ভূমি
পুরো দেশটি যেন তাদের পৈত্রিক চাষাবাদের জমি।
নীরিহ মানুষগুলোকে ভাবে তাদের নিজ রাজ্যের প্রজা
যখন তখন অত্যাচার, আর দেয় তাদের সাজা।
আইন কেন আইন নয়; ভয় করেনা কিছু লোকে
নিরীহ মানুষগুলো সেকারণে আজীবন ভোগে।
অর্থ বিত্ত আর রাজনীতির কাছে পুরো দেশ জিম্মি
তাই খুন খারাপি করেও মোসাহেব থাকে বুক টান,
খায় পোলাও কোর্মা আর ফিরণী।
আইন যখন শুধুই নির্বিকার ঐ আইনি খাতায়
মানুষ অসহায় তখন কোন প্রতিকার নাহি পায়।
শহীদের আত্না আজও গুমড়ে গুমড়ে কাঁদে
অর্ধশত বছর পরেও মানুষ কেন একই মরন ফাঁদে।
====================================
২৪ মার্চ ২০১৬
ভার্জিনিয়া ইউ এস এ
Read from Blog
http://mrbhuiyan4.blogspot.com/2016/03/blog-post_24.html
Monday, January 8, 2018
"যার যার তার তার"
"যার যার তার তার"
দেশে যখন ছিলাম এদেশের(আমেরিক) জীবন যাপন পদ্বতির যে গল্পটি শুনেছি এখানে এসে তার হুবহু যথার্থতার প্রমান পেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বন্ধুরা প্রায়ই মজা করে একটি কথা বলতো; চলো ক্যাফেটেরিয়াতে খেতে যাই, তবে এমেরিকান পদ্ধতি, যার যার তার। এখানে এসেও তাই দেখলাম; কাজে সহকর্মীদের সাথে যখন একসাথে যুক্তি করে বাইরে খেতে যাই, দেখি খাওয়া শেষে চাঁদা উঠিয়ে বিল দেওয়া হচ্ছে। কোনো বিশেষ দিনে পরিবারের সবাই একই সাথে রেস্টুরেন্ট
খেতে যায় কিনুত খাওয়া শেষে, যার যার তার তার। ঘরের ভিতরেও সবাই একই সাথে থাকে কিন্তু যার যার তার তার। এই রেয়াজটি আমরা যারা বাইরের পৃথিবী থেকে এসেছি ক্রমান্নয়ে আমাদের ভিতরেও ডুকতে শুরু করেছে। তাই আমার মনে হয় কেউ যদি আমেরিকা আসার আগে বিয়ে করে থাকেন (পুরুষ কিংবা নারী) তবে আমেরিকা আসার আগে পরিত্যাগ করে আসতে হবে। আর যারা আসার পর বিয়ে করার কথা ভাবছেন, এই কথাটি দ্বিতীয়বার ভাববেননা কারণ বিয়ে করে লাভ কি হবে? জীবনতো যার যার তার তার হয়ে যাবে, তবে আর মিছামিছি ঝামেলা বাড়িয়ে লাভ কি।
মৃত্যুর পর সবাই যার যার তার তার হয়ে যায়, খুব সম্ভবত একারণেই জীবিত থাকা অবস্হায়ই আধুনিক জগতের মানুষ সেই অভ্যাসটি করে নিচ্ছে।
মানুষ আজকাল নিজস্ব নাম ডাক বিত্ত বৈভব জৌলুশ নিয়ে নিজেকে যতটা ব্যস্ত রাখতে পছন্দ করে এর সামান্যটুকুও অন্যের সাথে শরিক করা কিংবা অন্যের সহযোগিতায় সহানুভূতিশীল হওয়ার প্রয়োজন মনে করেনা l নিজেই নিজের জগতে রাজা হওয়ার এক ভীষণ প্রবণতা নিয়ে দিনরাত শুধুই ছুটছে l
মানুষের আবেগ প্রেম প্রীতি ভালোবাসা দায়িত্ববোধ এবং সম্পর্ক দিনদিন একেবারেই হালকা হয়ে যাচ্ছে l মানুষ মন এবং সম্পর্ক দিয়ে আজকাল কেউ কাউকে কাছে টানেনা শুধুই নিজ খেয়ালের রাজত্বে আপন মনে বিচরণ করছে, কেউ কাউকে তোয়াক্কা করছেনা এতে করে জীবন যে ক্রমাগত একটি দুষ্টগ্রহের দিকে ধাবিত হচ্ছে সে ব্যাপারে আমরা কি একটুও ভাবছি ?
আগেকার দিনগুলিতে যেমন পারিবারিক এবং সামাজিক জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল একই বৃত্তে স্বহাবস্থান করা আর আজকাল হয়ে যাচ্ছে তা বৃত্ত থেকে বেরিয়ে যাওয়া এবং নিজস্ব গতিতে পরোয়াহীন একাকী পথ চলা l এই বেপরোয়া একাকীত্বতা মানব সমাজকে যে কোন অচেনা মুল্লুকে নিয়ে যাচ্ছে কেইবা জানে l
আসলে মানুষ যতই আধুনিক আর শিক্ষিত হচ্ছে মানুষের মাঝ থেকে যৌথ ভাবনাগুলো উঠে যাচ্ছে; প্রত্যকেই তার নিজস্ব একটি সীমানা তৈরী করার জন্যই ব্যাতিব্যস্ত l নিজের জগতেই মানুষ নিজস্বতা নিয়ে বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ছে l তাই অন্যের ব্যাপারগুলো ততোটুকু আর আমলে নিতে রাজি নয়, সেকারণেই আগেকার দিনে মানুষের জীবনে যে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধ ছিল তা আর এই যুগে থাকছেনা l আর একারণেই ক্রমাগতই জীবন যাপন একটি অস্থির ও অশান্তির দিকেই চলে যাচ্ছে বলে মনে হয় l এটাই হয়তো শিক্ষিত ও সভ্য সমাজের রীতি হয়ে থেকে যাবে l
দেশে যখন ছিলাম এদেশের(আমেরিক) জীবন যাপন পদ্বতির যে গল্পটি শুনেছি এখানে এসে তার হুবহু যথার্থতার প্রমান পেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বন্ধুরা প্রায়ই মজা করে একটি কথা বলতো; চলো ক্যাফেটেরিয়াতে খেতে যাই, তবে এমেরিকান পদ্ধতি, যার যার তার। এখানে এসেও তাই দেখলাম; কাজে সহকর্মীদের সাথে যখন একসাথে যুক্তি করে বাইরে খেতে যাই, দেখি খাওয়া শেষে চাঁদা উঠিয়ে বিল দেওয়া হচ্ছে। কোনো বিশেষ দিনে পরিবারের সবাই একই সাথে রেস্টুরেন্ট
খেতে যায় কিনুত খাওয়া শেষে, যার যার তার তার। ঘরের ভিতরেও সবাই একই সাথে থাকে কিন্তু যার যার তার তার। এই রেয়াজটি আমরা যারা বাইরের পৃথিবী থেকে এসেছি ক্রমান্নয়ে আমাদের ভিতরেও ডুকতে শুরু করেছে। তাই আমার মনে হয় কেউ যদি আমেরিকা আসার আগে বিয়ে করে থাকেন (পুরুষ কিংবা নারী) তবে আমেরিকা আসার আগে পরিত্যাগ করে আসতে হবে। আর যারা আসার পর বিয়ে করার কথা ভাবছেন, এই কথাটি দ্বিতীয়বার ভাববেননা কারণ বিয়ে করে লাভ কি হবে? জীবনতো যার যার তার তার হয়ে যাবে, তবে আর মিছামিছি ঝামেলা বাড়িয়ে লাভ কি।
মৃত্যুর পর সবাই যার যার তার তার হয়ে যায়, খুব সম্ভবত একারণেই জীবিত থাকা অবস্হায়ই আধুনিক জগতের মানুষ সেই অভ্যাসটি করে নিচ্ছে।
মানুষ আজকাল নিজস্ব নাম ডাক বিত্ত বৈভব জৌলুশ নিয়ে নিজেকে যতটা ব্যস্ত রাখতে পছন্দ করে এর সামান্যটুকুও অন্যের সাথে শরিক করা কিংবা অন্যের সহযোগিতায় সহানুভূতিশীল হওয়ার প্রয়োজন মনে করেনা l নিজেই নিজের জগতে রাজা হওয়ার এক ভীষণ প্রবণতা নিয়ে দিনরাত শুধুই ছুটছে l
মানুষের আবেগ প্রেম প্রীতি ভালোবাসা দায়িত্ববোধ এবং সম্পর্ক দিনদিন একেবারেই হালকা হয়ে যাচ্ছে l মানুষ মন এবং সম্পর্ক দিয়ে আজকাল কেউ কাউকে কাছে টানেনা শুধুই নিজ খেয়ালের রাজত্বে আপন মনে বিচরণ করছে, কেউ কাউকে তোয়াক্কা করছেনা এতে করে জীবন যে ক্রমাগত একটি দুষ্টগ্রহের দিকে ধাবিত হচ্ছে সে ব্যাপারে আমরা কি একটুও ভাবছি ?
আগেকার দিনগুলিতে যেমন পারিবারিক এবং সামাজিক জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল একই বৃত্তে স্বহাবস্থান করা আর আজকাল হয়ে যাচ্ছে তা বৃত্ত থেকে বেরিয়ে যাওয়া এবং নিজস্ব গতিতে পরোয়াহীন একাকী পথ চলা l এই বেপরোয়া একাকীত্বতা মানব সমাজকে যে কোন অচেনা মুল্লুকে নিয়ে যাচ্ছে কেইবা জানে l
আসলে মানুষ যতই আধুনিক আর শিক্ষিত হচ্ছে মানুষের মাঝ থেকে যৌথ ভাবনাগুলো উঠে যাচ্ছে; প্রত্যকেই তার নিজস্ব একটি সীমানা তৈরী করার জন্যই ব্যাতিব্যস্ত l নিজের জগতেই মানুষ নিজস্বতা নিয়ে বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ছে l তাই অন্যের ব্যাপারগুলো ততোটুকু আর আমলে নিতে রাজি নয়, সেকারণেই আগেকার দিনে মানুষের জীবনে যে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধ ছিল তা আর এই যুগে থাকছেনা l আর একারণেই ক্রমাগতই জীবন যাপন একটি অস্থির ও অশান্তির দিকেই চলে যাচ্ছে বলে মনে হয় l এটাই হয়তো শিক্ষিত ও সভ্য সমাজের রীতি হয়ে থেকে যাবে l
Thursday, December 28, 2017
"তুমি যদি হও এমন"
"তুমি যদি হও এমন"
মিজানুর ভূঁইয়া
বাহির থেকে দেখিনা তোমায়
দেখি ভিতর থেকে l
ভিতর তোমার সোজা কিনা
রয়েছে একটু বেঁকে l
রূপে আমার মন ভুলেনা
ভূলে গুন্ দেখে l
রূপের চেয়ে গুনেই জানি
রাখবে বেশি সুখে l
রূপ আর গুন্ দুইই যদি
থাকে তোমার মাঝে l
পুরো বিশ্ব নুইয়ে যাবে
তোমার কাছে এসে l
কথায় শুধু চিড়া ভিজেনা
ভিজে জলে মিশে l
ভিতর রশে হয় আসল কাজ
আনে মন বশে
মানুষ শুধুই বাহির নয়
ভিতর আসল পরিচয়
ভিতর বাহির সুন্দর হলেই
মানুষ করে বিশ্ব জয় l
২৮ ডিসেম্বর ২০১৭
ভার্জিনিয়া
মিজানুর ভূঁইয়া
বাহির থেকে দেখিনা তোমায়
দেখি ভিতর থেকে l
ভিতর তোমার সোজা কিনা
রয়েছে একটু বেঁকে l
রূপে আমার মন ভুলেনা
ভূলে গুন্ দেখে l
রূপের চেয়ে গুনেই জানি
রাখবে বেশি সুখে l
রূপ আর গুন্ দুইই যদি
থাকে তোমার মাঝে l
পুরো বিশ্ব নুইয়ে যাবে
তোমার কাছে এসে l
কথায় শুধু চিড়া ভিজেনা
ভিজে জলে মিশে l
ভিতর রশে হয় আসল কাজ
আনে মন বশে
মানুষ শুধুই বাহির নয়
ভিতর আসল পরিচয়
ভিতর বাহির সুন্দর হলেই
মানুষ করে বিশ্ব জয় l
২৮ ডিসেম্বর ২০১৭
ভার্জিনিয়া
Sunday, December 10, 2017
"বাংলাদেশ রেলওয়ে ও কিছু স্মৃতি"
"বাংলাদেশ রেলওয়ে ও কিছু স্মৃতি"
মিজানুর ভূইয়াঁ
সেই ছোট্ট বেলায় বাবা মায়ের সাথে
ট্রেনে চড়ে কোথা থেকে কোথায় যে
চলে যেতাম তার কোনো শেষ ছিলোনা ।
বাবা ছিলেন রেলওয়ের একজন প্রকৌশলী,
কিছুদিন এখানে আবার কিছুদিন ওখানে
এমনিকরে সমগ্র বাংলাদেশের
প্রায় সব ক’টি রেল সংযোগ আছে এবং
রেলওয়ের যাতায়াত ব্যবস্থা আছে
সেসকল জেলা এবং উপশহরে আমাদের
থাকতে সবাইকে হয়েছিল।
আর তাই আমাদের বড় ভাই বোন
প্রায় সবারই লেখাপড়া তৎসংলগ্ন রেলওয়ে স্কুলে
এবং সেখানকার কলেজে করতে হয়েছিল।
শুধু আমি এবং আমার একটি ছোট ভাই
এবং একটি ছোট বোন কুমিল্লা ও ঢাকাতে
লেখাপড়া করেছিলাম।
রেলগাড়িতে চড়ে যখন এদিক সেদিক বেড়াতে
যেতাম অথবা গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যেতাম।
কখনো এমনি হতো রাতের বেলায় রেলগাড়ি
ঝমঝম আওয়াজ করে হেলে দুলে
গভীর অন্ধকারকে ভেদ করে চলছেতো চলছে
যার কোনোই শেষ ছিলনা এমন মনে হতো।
বাহিরে বাতাসের শনশন শব্দে সারা মনে
এক অপূর্ব দোলা দিয়ে যেতো।
জানালা দিয়ে বাহিরে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার
মজাই ছিল এক অন্যরকম সুখের ব্যাপার।
মনে হতো দূরের বাড়ি ঘর আর সবুজ গাছগুলো
যেনো চলন্ত গাড়ির সাথে পাল্লা দিয়ে
একই সমান গতিতে ছুটে চলছে; কি অদ্ভুত সেই আনন্দ।
স্টেশনে গাড়ি এসে থামলেই ফেরিওয়ালাদের
নানা শুরে চীনাবাদাম, বাখরখানি আর চা গরম
শব্ধগুলো আজও কানের কাছে কতো প্রিয় হয়ে বাজে ।
বিশাল নদী পার হওয়া সেতু সেতো ছিল
অনেক দুঃসাহসী আনন্দের অপূর্ব এক অভিজ্ঞতা।
আবার কখনো কখনো গাড়ির হেলেদুলে চলার
ঝাকুনিতে শরীরে অনেক ক্লান্তি এবং অবসাদ
নেমে আসতো আর তারই ফাঁকে
কখন যে ঘুমিয়ে পড়তাম টেরই পেতাম না।
হঠাৎ করে একতারা খঞ্জর, ডুগডুগি আর ভাওয়াইয়া
এবং মুর্শিদী গানের আওয়াজ যখন কানে এসে পৌছতো,
একেবারে হুড়মুড় করে জেগে জেগে উঠতাম।
আর জেগেই দেখতে পেতাম গেরুয়া পোশাক পরা কিছু লোকজন
জীবিকা নির্বাহের অবল্বন হিসাবে অনবরত গেয়েই যাচ্ছেন।
এই রকম দৃশ্যগুলো বেশির ভাগ উত্তরবঙ্গ কিংবা
সিলেটে যাওয়া আসার পথেই বেশি দেখা যেতো।
জীবনের সেই মৌলিক আনন্দের সময়গুলোকে
এই জীবনে কখনোই ভুলার মতো নয়।
বাল্যকালের সকল কিছুতেই যেন জীবনের সব চেয়ে
সরস এবং নির্ভেজাল আনন্দ লুকিয়ে থাকে।
সেই সময়গুলোর যে সুখ এবং আনন্দ
এর সাথে জীবনের আর কোনো কিছুর সাথে
তেমন কিছুকে মিলানো যায়না।
আমি যখন দশম শ্রেণীতে পড়িতাম একবার
মায়ের সাথে রাগ করে পালিয়ে বাবার কাছে
যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলাম,
বাবা তখন সিলেটের শায়েস্তাগঞ্জে থাকতেন।
বাড়ি থেকে পালিয়ে বেরুনোর কারণে
আমার গায়ে যে ময়লা জামাটি পরা ছিলো
সেটা পরেই কুমিল্লা রেলস্টেশনে গিয়ে
একেবারে রোজকার মতো প্রথম শ্রেণীতে
গিয়ে চড়ে বসলাম , এদিকেতো ভয়ে গলা শুকিয়ে
একেবারে কাঠ, কারণ বাবাতো সাথে নেই
আর টিকেটওতো করা হয়নি, যদি ধরা পড়ি।
যেতে যেতে ট্রেন যখন আখাউড়া স্টেশনে গিয়ে থামলো
এখন আমাকে সিলেটগামী ট্রেনে চড়তে হবে।
যেই না নামবো বলে প্রস্তুতি নিচ্ছি;
আর অমনি টিটি বাবু এসে ধরে বলছে
এই বাবু কোথা যাচ্ছো, সাথে টিকেট আছে?
আমিতো একেবারে ভয়ে জড়সড়।
হঠাৎ করে মাথায় বুদ্ধি এলো,
বলে ফেললাম আমি আই ডব্লিউ মনিরুদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে।
টিটি বাবু কয়েকবার আমার পোশাক আশাকের
দিকে তাকিয়ে একটু যদিও সন্ধিহান ছিলেন
অবশেষে বললেন ও তুমি ইঞ্জিনিয়ার
মনিরুদ্দিন সাহেবের ছেলে, ঠিক আছে।
যাক বাঁচা গেলো এবার, একটি দীর্ঘশ্বাস নিয়ে
চুপ করে বসে থাকলাম আর বাবার এই সুখ্যাতি
এবং পরিচিতি দেখে মনে মনে নিজেকে
খুবই সৌভাগ্যবান মনে করলাম।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সাথে আমাদের জীবনের
এমনিতর হাজার ঘটনা আছে যা আজও
নিজের মনের কোণে স্মৃতি হয়ে নাড়া দেয়।
আজ যখন নিজের ছেলে মেয়েদেরকে
সেই গল্প বলি নিজের অজান্তেই
যেন কোথায় হারিয়ে যাই, নিজেই তা বুঝিনা।
আমি নিজেও আমেরিকা আসার পর বার বছর
এয়ারলাইনে কাজ করার সুবাদে
নিজের পরিবার ও ছেলে মেয়েদের নিয়ে
পৃথিবীর অনেক দেশেই ভ্রমণ করার সুযোগ
হয়েছিল আর জীবনে কতইনা আনন্দ করেছি।
জীবনের কোন একদিন ছেলে মেয়েরাও হয়তো
আমার মতো এমনি করে জীবনের সেই সুন্দর
স্মৃতিগুলোকে খতিয়ে খতিয়ে দেখবে।
আর নিজের শৈশবকে আবিষ্কার করার চেষ্টা করবে।।
চলবে.........
===========================
১১ ডিসেম্বর ২০১৭
ভার্জিনিয়া ইউ এস এ
মিজানুর ভূইয়াঁ
সেই ছোট্ট বেলায় বাবা মায়ের সাথে
ট্রেনে চড়ে কোথা থেকে কোথায় যে
চলে যেতাম তার কোনো শেষ ছিলোনা ।
বাবা ছিলেন রেলওয়ের একজন প্রকৌশলী,
কিছুদিন এখানে আবার কিছুদিন ওখানে
এমনিকরে সমগ্র বাংলাদেশের
প্রায় সব ক’টি রেল সংযোগ আছে এবং
রেলওয়ের যাতায়াত ব্যবস্থা আছে
সেসকল জেলা এবং উপশহরে আমাদের
থাকতে সবাইকে হয়েছিল।
আর তাই আমাদের বড় ভাই বোন
প্রায় সবারই লেখাপড়া তৎসংলগ্ন রেলওয়ে স্কুলে
এবং সেখানকার কলেজে করতে হয়েছিল।
শুধু আমি এবং আমার একটি ছোট ভাই
এবং একটি ছোট বোন কুমিল্লা ও ঢাকাতে
লেখাপড়া করেছিলাম।
রেলগাড়িতে চড়ে যখন এদিক সেদিক বেড়াতে
যেতাম অথবা গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যেতাম।
কখনো এমনি হতো রাতের বেলায় রেলগাড়ি
ঝমঝম আওয়াজ করে হেলে দুলে
গভীর অন্ধকারকে ভেদ করে চলছেতো চলছে
যার কোনোই শেষ ছিলনা এমন মনে হতো।
বাহিরে বাতাসের শনশন শব্দে সারা মনে
এক অপূর্ব দোলা দিয়ে যেতো।
জানালা দিয়ে বাহিরে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার
মজাই ছিল এক অন্যরকম সুখের ব্যাপার।
মনে হতো দূরের বাড়ি ঘর আর সবুজ গাছগুলো
যেনো চলন্ত গাড়ির সাথে পাল্লা দিয়ে
একই সমান গতিতে ছুটে চলছে; কি অদ্ভুত সেই আনন্দ।
স্টেশনে গাড়ি এসে থামলেই ফেরিওয়ালাদের
নানা শুরে চীনাবাদাম, বাখরখানি আর চা গরম
শব্ধগুলো আজও কানের কাছে কতো প্রিয় হয়ে বাজে ।
বিশাল নদী পার হওয়া সেতু সেতো ছিল
অনেক দুঃসাহসী আনন্দের অপূর্ব এক অভিজ্ঞতা।
আবার কখনো কখনো গাড়ির হেলেদুলে চলার
ঝাকুনিতে শরীরে অনেক ক্লান্তি এবং অবসাদ
নেমে আসতো আর তারই ফাঁকে
কখন যে ঘুমিয়ে পড়তাম টেরই পেতাম না।
হঠাৎ করে একতারা খঞ্জর, ডুগডুগি আর ভাওয়াইয়া
এবং মুর্শিদী গানের আওয়াজ যখন কানে এসে পৌছতো,
একেবারে হুড়মুড় করে জেগে জেগে উঠতাম।
আর জেগেই দেখতে পেতাম গেরুয়া পোশাক পরা কিছু লোকজন
জীবিকা নির্বাহের অবল্বন হিসাবে অনবরত গেয়েই যাচ্ছেন।
এই রকম দৃশ্যগুলো বেশির ভাগ উত্তরবঙ্গ কিংবা
সিলেটে যাওয়া আসার পথেই বেশি দেখা যেতো।
জীবনের সেই মৌলিক আনন্দের সময়গুলোকে
এই জীবনে কখনোই ভুলার মতো নয়।
বাল্যকালের সকল কিছুতেই যেন জীবনের সব চেয়ে
সরস এবং নির্ভেজাল আনন্দ লুকিয়ে থাকে।
সেই সময়গুলোর যে সুখ এবং আনন্দ
এর সাথে জীবনের আর কোনো কিছুর সাথে
তেমন কিছুকে মিলানো যায়না।
আমি যখন দশম শ্রেণীতে পড়িতাম একবার
মায়ের সাথে রাগ করে পালিয়ে বাবার কাছে
যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলাম,
বাবা তখন সিলেটের শায়েস্তাগঞ্জে থাকতেন।
বাড়ি থেকে পালিয়ে বেরুনোর কারণে
আমার গায়ে যে ময়লা জামাটি পরা ছিলো
সেটা পরেই কুমিল্লা রেলস্টেশনে গিয়ে
একেবারে রোজকার মতো প্রথম শ্রেণীতে
গিয়ে চড়ে বসলাম , এদিকেতো ভয়ে গলা শুকিয়ে
একেবারে কাঠ, কারণ বাবাতো সাথে নেই
আর টিকেটওতো করা হয়নি, যদি ধরা পড়ি।
যেতে যেতে ট্রেন যখন আখাউড়া স্টেশনে গিয়ে থামলো
এখন আমাকে সিলেটগামী ট্রেনে চড়তে হবে।
যেই না নামবো বলে প্রস্তুতি নিচ্ছি;
আর অমনি টিটি বাবু এসে ধরে বলছে
এই বাবু কোথা যাচ্ছো, সাথে টিকেট আছে?
আমিতো একেবারে ভয়ে জড়সড়।
হঠাৎ করে মাথায় বুদ্ধি এলো,
বলে ফেললাম আমি আই ডব্লিউ মনিরুদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে।
টিটি বাবু কয়েকবার আমার পোশাক আশাকের
দিকে তাকিয়ে একটু যদিও সন্ধিহান ছিলেন
অবশেষে বললেন ও তুমি ইঞ্জিনিয়ার
মনিরুদ্দিন সাহেবের ছেলে, ঠিক আছে।
যাক বাঁচা গেলো এবার, একটি দীর্ঘশ্বাস নিয়ে
চুপ করে বসে থাকলাম আর বাবার এই সুখ্যাতি
এবং পরিচিতি দেখে মনে মনে নিজেকে
খুবই সৌভাগ্যবান মনে করলাম।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সাথে আমাদের জীবনের
এমনিতর হাজার ঘটনা আছে যা আজও
নিজের মনের কোণে স্মৃতি হয়ে নাড়া দেয়।
আজ যখন নিজের ছেলে মেয়েদেরকে
সেই গল্প বলি নিজের অজান্তেই
যেন কোথায় হারিয়ে যাই, নিজেই তা বুঝিনা।
আমি নিজেও আমেরিকা আসার পর বার বছর
এয়ারলাইনে কাজ করার সুবাদে
নিজের পরিবার ও ছেলে মেয়েদের নিয়ে
পৃথিবীর অনেক দেশেই ভ্রমণ করার সুযোগ
হয়েছিল আর জীবনে কতইনা আনন্দ করেছি।
জীবনের কোন একদিন ছেলে মেয়েরাও হয়তো
আমার মতো এমনি করে জীবনের সেই সুন্দর
স্মৃতিগুলোকে খতিয়ে খতিয়ে দেখবে।
আর নিজের শৈশবকে আবিষ্কার করার চেষ্টা করবে।।
চলবে.........
===========================
১১ ডিসেম্বর ২০১৭
ভার্জিনিয়া ইউ এস এ
Monday, November 20, 2017
"জীবন ও শেষ পরিণতি"
"জীবন ও শেষ পরিণতি"
মিজানুর ভূইয়াঁ
জীবন কি এভাবেই থেমে যাবে
দুঃসময়ের দুঃস্বপ্ন বুকে নিয়ে।
দুর্গম পথে দূর্বার গতিতে চলা
থেমে যেতে চায় যেনো এই বাঁকে।
জীবনের সব আশাগুলো
প্যাঁজা তুলোর মতো উড়ে যায় অজানা পথে।
সবাক কণ্ঠ ধীরে ধীরে
স্থিমিত হয়ে অবশেষে হয়ে যায় নির্বাক।
বুকের ভেতরে কষ্টের বিষবাস্প
কুন্ডুলি পাকিয়ে জমাট বাঁধে।
সজীব নিঃশ্বাস বিষাক্ত ধোঁয়া হয়ে
ভাঁজ হয়ে পড়ে থাকে বুকের ভেতর।
চোখের প্রসারিত আলোক রশ্নিগুলো
সংকুচিত হয়ে ধীরে ধীরে আঁধারে মিলায়।
যে বাহুবেষ্টনীতে প্রিয়তমের সান্নিধ্য আর ভালোবাসা
সেই বাহুগুলো হয়ে যায় জড়াজীর্ণতায় নিঃস্তেজ।
দু'চরণের দুর্বার বিরামহীন পথ চলা
নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকে ঘরের কোণে।
পৃথিবীর সব আনন্দ আর সুন্দরগুলো
মলিনতায় ভেসে আসে ধূসর চোখে।
সঙ্গতায় পাশে সঙ্গীও যখন নিঃষ্প্রাণ অথবা নেই
জীবন তখন তুমুল সংকটে নিপতিত।
হাজারো কলরব আর প্রাণচাঞ্চল্যতায় মুখরিত জীবন
মুখথুবড়ে পড়ে থাকে; কোনো এক নির্জন ঘরের কোণে।
এখনই বিদায় নিতে প্রস্তুত ভূবনলীলা হতে,
জীবনের শেষ পরিণতি বুঝি এভাবেই আসে
এই সুন্দর দেহটুকু অবশেষে যায় ধুলায় মিশে।।
-------------------------------------------
২০ নভেম্বর ২০১৭
ভার্জিনিয়া ইউ এস এ
মিজানুর ভূইয়াঁ
জীবন কি এভাবেই থেমে যাবে
দুঃসময়ের দুঃস্বপ্ন বুকে নিয়ে।
দুর্গম পথে দূর্বার গতিতে চলা
থেমে যেতে চায় যেনো এই বাঁকে।
জীবনের সব আশাগুলো
প্যাঁজা তুলোর মতো উড়ে যায় অজানা পথে।
সবাক কণ্ঠ ধীরে ধীরে
স্থিমিত হয়ে অবশেষে হয়ে যায় নির্বাক।
বুকের ভেতরে কষ্টের বিষবাস্প
কুন্ডুলি পাকিয়ে জমাট বাঁধে।
সজীব নিঃশ্বাস বিষাক্ত ধোঁয়া হয়ে
ভাঁজ হয়ে পড়ে থাকে বুকের ভেতর।
চোখের প্রসারিত আলোক রশ্নিগুলো
সংকুচিত হয়ে ধীরে ধীরে আঁধারে মিলায়।
যে বাহুবেষ্টনীতে প্রিয়তমের সান্নিধ্য আর ভালোবাসা
সেই বাহুগুলো হয়ে যায় জড়াজীর্ণতায় নিঃস্তেজ।
দু'চরণের দুর্বার বিরামহীন পথ চলা
নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকে ঘরের কোণে।
পৃথিবীর সব আনন্দ আর সুন্দরগুলো
মলিনতায় ভেসে আসে ধূসর চোখে।
সঙ্গতায় পাশে সঙ্গীও যখন নিঃষ্প্রাণ অথবা নেই
জীবন তখন তুমুল সংকটে নিপতিত।
হাজারো কলরব আর প্রাণচাঞ্চল্যতায় মুখরিত জীবন
মুখথুবড়ে পড়ে থাকে; কোনো এক নির্জন ঘরের কোণে।
এখনই বিদায় নিতে প্রস্তুত ভূবনলীলা হতে,
জীবনের শেষ পরিণতি বুঝি এভাবেই আসে
এই সুন্দর দেহটুকু অবশেষে যায় ধুলায় মিশে।।
-------------------------------------------
২০ নভেম্বর ২০১৭
ভার্জিনিয়া ইউ এস এ
Thursday, November 9, 2017
মিথ্যে তাশের ঘর
মিথ্যে তাশের ঘর বানিয়ে
নিজে নিজে সাজছো রাজা রানী।
আসবে সেদিন, নয় বেশীদিন
তুমি খাবে ঘোলা পানি ।
সব রঙিন স্বপ্ন ভেঙ্গে গিয়ে
দুচোখেতে পড়বে তোমার ছানি ।
এদিক সেদিক হাত পেতেও
পাবেনা কোনো কুল খুঁজে জানি।
নিজের রাজ্যে নিজেই রাজা
কেউ মানুক কিংবা না ।
সেদিন আর দুরে নয় বেশি
নিজের হাতে লিখবে নিজের মৃত্যু পরওয়ানা ।
----MB
নিজে নিজে সাজছো রাজা রানী।
আসবে সেদিন, নয় বেশীদিন
তুমি খাবে ঘোলা পানি ।
সব রঙিন স্বপ্ন ভেঙ্গে গিয়ে
দুচোখেতে পড়বে তোমার ছানি ।
এদিক সেদিক হাত পেতেও
পাবেনা কোনো কুল খুঁজে জানি।
নিজের রাজ্যে নিজেই রাজা
কেউ মানুক কিংবা না ।
সেদিন আর দুরে নয় বেশি
নিজের হাতে লিখবে নিজের মৃত্যু পরওয়ানা ।
----MB
Subscribe to:
Posts (Atom)