Tuesday, January 27, 2026

“একাকীত্বতা; নয় তেমন জটিলতাঃ”

 “একাকীত্বতা; নয় তেমন জটিলতাঃ”

মিজানুর ভূইয়াঁ 

নিজেকে কখনোই একা ভেবে দুঃখের সাগরে ভেসে যেওনা 

যখনি তেমনটি হয়, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মনভরে হাসবে !

নিজের মনের ভিতর পুলকিত মনে বেশিকরে বার বার তাকাবে 

দুঃখ ব্যাথা বঞ্চনা যতো সব একেবারেই যাবে উড়ে !

নিজেকে যদি কখনো বেশি একামনে হয়, আকাশের দিকে তাকাবে 

নিজের মনের ভেতর পুরো আকাশটিকে সাজিয়ে নিবে !

আকাশের বিশালতা দেখে বেদনাগুলো নিষ্প্রভ হয়ে মন আনন্দে ভরে উঠবে !!

কখনো অকস্মাৎ মন ভারাক্রান্ত হতে পারে 

ঠিক তখনই মনের ভেতর উদীয়মান সূর্য্য ও চাঁদটিকে জাগিয়ে তুলবে !

সূর্য্য ও চন্দ্রের আলোক প্রহর নিমিষেই মনের ভেতর জেগে উঠবে !!

বন্ধু কিংবা প্রিয়জন থেকে অপ্রত্যাশিত খারাপ কিছু পেলে 

একেবারে চলে যাও নদী কিংবা সমুদ্রের বিশাল উদার জলের কাছে !

নদী ও সমুদ্রের জলের প্রাণউচ্ছল উদারতা তোমায় শীতল করে দিবে !!

যদি কখনো নিজেকে নিঃসঙ্গ একাকী মনে হয় 

চলে যাওয়া বিশাল উদার পাহাড় এবং সবুজ প্রকৃতির কাছে !

পাহাড়ের বিশাল বক্ষ আর সবুজ প্রকৃতির সাথে মিতালি করে নাও !

নিমিষেই নিঃসঙ্গতা কেটে যাবে; খুঁজে পাবে অকৃতিম বন্ধু সঙ্গতা !!

নিজেকে কখনোই একা এবং অসহায় ভাবতে নেই 

মানুষ বেশিক্ষন কাছে থাকেনা; তবে প্রকৃতির অকৃত্তিম ভালোবাসা সব সময় পাশে থাকবে !!

প্রকৃতিই সবচেয়ে সুন্দর অকৃত্তিম উদার বন্ধু 

সদাই ঘিরে থাকে চারিপাশে আপন করে, বিনময়ে কিছু চায়না !

জীবনের সকল লেনাদেনা শুধুই মানুষেরই মাঝে বিদ্যমান 

তাই মানুষ আপন হয় ক্ষনিকের তরে, প্রকৃতি সদাই দিব্যমান !!


ভার্জিনিয়া, ইউ এস এ 

২৭ জানুয়ারী ২০২৬


















































Thursday, January 8, 2026

“ইঁদুর দেখেনি চাঁদের আলো”

 


             “ইঁদুর দেখেনি চাঁদের আলো”


অন্ধকারের ইঁদুরগুলো, সেই অন্ধকারেই রইলো 

যেই গুহাতে জন্ম নিলো সেই গুহাতেই করছে লাফালাফি। 

জ্ঞান বিজ্ঞানের এই দুনিয়ায় মানুষ করলো কতো সৃজন 

বকধর্মের লেবাস পরা; হয়ে রইলো মানুষ নামের কু’জন ?

স্রষ্টা মানুষ সৃষ্টি করে পাঠিয়েছে জ্ঞান বুদ্ধি বিবেক দিয়ে 

সেইটুকু সঠিক ব্যবহার করেই মানুষ থাকছে সুখের তরে !

জ্ঞান বুদ্ধি বিবেকহীন যারা, কাজ শুধু বড় বড় বুলি ছাড়া 

মানবতাবিহীন পৈশাচলিকতায় এদের দেহ এবং মনগড়া। 

ধর্ম হলো জীবনের আলো, সঠিক পথের দিশা 

সেই ধর্মেরই অপব্যবহারে খেলছো আজি তাস জুয়া পাশা। 

লেবাসখানা ধর্ম নয়; ধর্ম মানবিকতা আর ভালবাসা 

লেবাসী ধর্ম দিয়ে খেলছো আজি মানব ধ্বংসী সর্বনাশা। 

ধর্ম হলো সূর্য্য কিরণ, চাঁদের আলো অন্ধকার রাতে 

সেই আলোকে কুৎসিকতায় ঢেকে ফূর্তি করছো তাতে। 

মানুষ নামের খোলস পরা মিথ্যে বকধর্ম বিলাসী 

কথায় কথায় খুন খারাপি নিজের হাতে তুলে নিয়ে অশি !

অন্ধকারে জন্ম নেয়া মানুষ নামের অন্ধ কুলাঙ্গার 

চাঁদের আলো দেখেনি কবু, তাই রয়েছে ডুবে অন্ধকার ??



চলবে:——





















Tuesday, December 23, 2025

“ধর্মের আলো ও কালো”

 “ধর্মের আলো ও কালো”

মিজানুর ভূঁইয়া 


যেখানে ধর্মের নামে 

অন্ধকারে ঢেকে দেওয়ার খেলা চলছে বাংলাদেশে 

সেখানে এই সভ্য দুনিয়ায় 

ধর্মের আলোয় আলোকিত হয়ে আছে এই প্রবাসে !!

ধর্ম কি ছড়ায় কাঁটা পথ পানে ?

হিংসা বিভেদ আর অযাচিত মৃত্যু কি টেনে আনে 

ধর্ম শুনেছি আনে শান্তির বাণী 

তোমরা আজি যাহা করছো মানবধর্মের চরম গ্লানী !

সভ্য দেশে চারিদিকে শুধু জয় জয়কার 

তোমাদের মুখোশ ধর্মে কেন এতো মৃত্যু হাহাকার ?

ধর্ম যদি শুধু লেবাসি হয়ে বিদ্বেষ টেনে আনে 

তবে সেই ধর্ম কবু শান্তির নয়, শুধুই মনে ভীতি আনে। 

স্রষ্টাই যদি বলো জীবন মৃত্যুর মালিক 

তবে তোমরা কেন নিজের হাতে পরাচ্ছ মৃত্যুশূলী ?

সভ্য দেশে যেখানে জ্বলছে ধর্মের আলো 

তোমাদের কেন ধর্মের নামে এতো ঘোর অন্ধকার কালো ??


২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ভার্জিনিয়া, ইউ এস এ 


















Wednesday, December 17, 2025

"জন্মদিন ও আলোকিত বাস্তবতা"

   "জন্মদিন ও আলোকিত বাস্তবতা"

মিজানুর ভূইয়াঁ  

এক একটি নবজন্ম এক একটি প্রতিশ্রুতিশীল আলোকিত সকাল 

নিয়ে আসে আশা জাগানিয়া আলোক ভরা প্রশান্তিময় দিবালোক। 

এক একটি নবজন্ম এক একটি উদীয়মান সোনালী সূর্য্য

 মনে জাগিয়ে তোলে উদ্যাম নিমিষেই দূর করে দিয়ে সকল ক্লান্তিময় অন্ধকার। 

এক একটি নবজন্ম এক একটি পূর্ণিমার উজ্জ্বলতর চাঁদ 

অমানিশার অন্ধকারকে গুছিয়ে আলোক পূর্ণিমায় ভরিয়ে দেয় সমগ্র আকাশ। 

এভাবে পৃথিবীতে প্রতিটি জন্ম এক এক করে উজ্জ্বল তাঁরা হয়ে 

সমগ্র আকাশ জুড়ে  ছড়িয়ে পড়ে পৃথিবীকে আলোকিত করে। 

সবুজ বৃক্ষে এক সময় যেভাবে নানান রঙের ফুলে সুশোভিত হয় 

সেই ফুলগুলো আবার পরিণত হয়ে আশার ফলে ও ফসলে পরিণত হয়। 

তেমনি করে প্রতিটি মানব শিশু মা ও বাবার জীবন বাগিচায় 

অনেক আশা ও প্রত্যাশার ফুল ও ফল হয়ে সংসার বাগানকে আলোকিত করে। 

একটি নবজাত শিশু একটি সংসারে সেই আলোকিত চন্দ্র ও সূর্য্য 

যার আগমনে প্রত্যাশার আলো জ্বলে উঠে সেই যুগলবন্ধী আকাশে। 

শুভজন্ম, শুভযাত্রা, শুভ কামনায় এভাবেই সামনে এগিয়ে চলে জীবন 

শুভ হউক জন্মদিন, ছড়িয়ে দিয়ে সহস্র আলোক প্রহর সারা ভুবনময় !! 


ভার্জিনিয়া, ইউ এস এ 

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫





Monday, December 8, 2025

“কালো মনের মানুষ”

 “কালো মনের মানুষ”

মিজানুর ভূইয়াঁ 


যার আলোতে তোমার দেহে 

উঠছে আজি আলোক কিরণ জ্বলে। 

সেই আলোতে উঠবে হেসে 

তারই ছবি তোমার মনে ভেসে। 

ভালোবাসার সূর্য্য কিরণ 

ভালোবাসা থেকেই উঠে আসে। 

মন থেকে যে তোমাকে ভালোবাসে 

সহজেই তাহা বোঝা যাবে। 

আসল কিবা নকল তাহা 

সময় এলে ঠিকই বুঝতে পাবে।  

ভালোবাসার ভান করে যে 

তাহা সেই মানুষটির মনের ভেতর থাকে। 

সত্যি কিবা মিথ্যে ছিল বুঝবে ইহা তুমি 

তোমার বিপদ দেখে দৌড়ে যদি আসে। 

ভান করা সব চতুর মানুষ 

এই সমাজে আছে অনেক চারি পাশে। 

নিজের স্বার্থের জন্যই এরা 

আপন সেজে আসে অনেক কাছে। 

ছদ্ববেশী সেই মানুষগুলো 

সহজেই এদের মুখোশ চেনা বড়ই দায়। 

নিজেই স্বার্থ হাসিল হলেই অবশেষে 

নিজের মুখখানা অন্যদিকে ফিরিয়ে নেয়। 

ঘরে বাইর এমন চতুর মানুষ 

আছে হরেক রকম এদের চেনা বড়ই দায়। 

দেখতে যদিও মানুষ রূপী 

সময় এলে এদের চেহারা ঠিকই চেনা যায়। 

মানুষ নামের ছায়া এরা 

আছে সদাই তোমার পাশেই বসে। 

নিজের স্বার্থটুকু বুঝে নিতেই 

এরা আপন সেজে কাছে আসে। 

বাহির যদিও মানুষ রূপি 

ভিতর সদাই এদের রহে কুৎসিত কদাকীর্ণ। 

নিজের স্বার্থ ছাড়া এরা 

এই পৃথিবীতে বুঝেনা কিছুই অন্য। 


ভার্জিনিয়া; ইউ এস এ

December 2023

Friday, October 17, 2025

“নাগরিকবিহীন নগর”

 “নাগরিকবিহীন নগর”

মিজানুর ভূইয়াঁ 


পাথরে গড়া সুবিশাল সৌকর্যময় ইমারত সর্বত্রই 

কারুকার্যময়তায় পরিপূর্ণ মনোরম দৃষ্টি নন্দিত চারিদিক l

এই শহর শুধু শহর নয়; বিশ্বের রাজধানী বলে খ্যাত 

একদিন প্রাণচাঞ্চল্যকর ও মুখরিত ছিল চারিদিকে l

এই জনপদ এই শহর একদিন মুখরিত ছিল লক্ষ 

মানুষের পদচারণায়; এখানে আজ একেবারেই 

জন মানব শূন্য; বলতে গেলে খুবই নগন্য মানুষের 

ক্ষানিক পদচারণা মাত্র এখানে সেখানে l

এখানে প্রতিদিনই পৃথিবীর ভিবিন্ন প্রান্ত থেকে আসা 

পর্যটকের বিশাল পদচারণায় দিনরাত মুখরিত ছিল l

সব কিছু আজ ম্লান করে দিয়েছে অজানা এক ভীতি 

সেই অদৃশ্য মৃত্যু দানবের ভয়ে মানুষ এখন আর 

আগের আনন্দ উচ্ছলতার আগ্রহটুকু হারিয়ে ফেলেছে l

প্রতিটি মানুষই ভীষণ দ্বিধাগ্রস্ত উন্মুক্ত বিচরণে,

নিজের মনের সকল চাওয়া পাওয়াকে অনেকটাই 

বিসর্জন দিয়ে হলেও নিজ নিরাপত্তা ও বেঁচে থাকার 

বিষয়টিকেই বুকে ধারণ করে নিজ সীমায় বন্ধি জীবন কাটাচ্ছে l

পৃথিবীর সকল প্রান্তেই সুন্দরতম সৃষ্টিগুলো এখন

জনমানবিহীন, অযত্নে এবং অরক্ষিত কালের সাক্ষী হয়ে 

একান্ত নিষ্প্রভ অপ্রয়োজনীয় বস্তুর মতোই দাঁড়িয়ে আছে l

যেন প্রাণহীন আনন্দবিহীন এক একটি নগরী 

মানুষগুলো যেন বন্ধী কোনো এক দানবের পিঞ্চরে l

আর পুরো শহরগুলো এখন এক একটি নাগরিকবিহীন নগর l

!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

১৭ই অক্টোবর ২০২০ 

ওয়াশিংটন ডি সি 

ইউ এস এ

Saturday, August 16, 2025

“যুগের হাওয়া তিক্তধারা”

 “যুগের হাওয়া তিক্তধারা”

মিজানুর ভূইয়াঁ 


যুগের হাওয়ায় তাল মিলিয়ে 

চলতে গিয়ে জীবন !

মূল্যবোধের সেই জীবনধারা 

থাকেনা আর তেমন !!

আগের দিনের মানুষ যেমন 

মিলেমিশে কাটিয়েছে জীবন !

এখন পাল্টে গেছে জীবন ধারা 

নিজে নিজে আত্নহারা !!

সম্পর্ক শুধুই যেনো মুখের বুলি  

যখন তখন পরায় শূলী !

এখন কেউ কারোই ধারধারেনা 

সবাই নিজের মতো চলে !

যখন শুধুই নিজ প্রয়োজনে 

কথা শুধু একটু আধটুকু বলে !!

একই ঘরে যদিও থাকে 

দিনরাত শুধুই নিজ কক্ষেই বন্ধি !

নিজের ধান্দায় ব্যাস্ত শুধুই 

মেলামেশা কথা বার্তা হয়না কোনো সন্ধি !!

সমাজ এখন লোক দেখানো 

নিজে নিজে সেজে যায় মেকী হামবড়া !

মানুষ নামের খোলস মাত্র 

ভিতরে শুধুই কারসাজি আর অন্ধকারে ভরা !!

নেই কোনো মায়া মমতা 

নেই সেই আগের দিনের মতো প্রীতিভরা জীবন !

মানুষ এখন হৃদপিন্ডহীন 

কঠিন খোলস পরা প্রাণহীন মেকী রোবট যেমন !!

যুগের হাওয়া তিক্তধারা 

নিজে নিজে আত্নহারা বদলে গেছে জীবন !!

নেইতো আর সেই কোমল হৃদয় 

হারিয়েগেছে সৎ সুন্দর ভালোবাসার সেই মন !!



১৬ই অগাস্ট, ২০২৫

ভার্জিনিয়া; ইউ এস এ 

( লেখকের সর্বস্বর্থ সংরক্ষিত)