"ঘর নয় পর-আপন নয় ডর"
মিজানুর ভূইয়াঁ
আমরা ঘরে ছুটে যাই
ঘর থেকে বাহিরে ছুটে যাই।
বাহিরে আমরা প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে
এদিক সেদিক কতো ঘুরাঘুরি করি
আজকাল আমরা, ঘর থেকে বাহিরেই বেশি কাটাচ্ছি।
ঘরমুখো চিন্তা যেনো নিতান্তই সেকেলে
তাই একটু আধটুকু ঘরে থেকেই আমরা ভীষণ হাঁফিয়ে উঠি।
ঘরের সেই মায়াভরা প্রেম একাগ্রতা নেই বলেই হয়তো
তাই অজুহাতে কিংবা বিনাঅজুহাতে
শুধুই বহির জগতে উল্কার মতো ছুটে বেড়াই।
ঘরের সেই স্নিগ্দ কোমল পরশ
আজকাল বড়ই দুষ্প্রাপ্য হয়ে উঠছে l
এখন আর আগের মতো মিলের দিন নেই
সবাই এখন কথা আর নিজ ফন্দির পাকা খেলোয়াড়।
তাই সমষ্টিক চিন্তাগুলো আজ ভীষণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে।
মিলের চেয়ে অমিলগুলো বেশি প্রাধান্যতা পাচ্ছে।
আজকাল একমত, একপথের চেয়ে
নিজ নিজ পান্ডিত্ব ও অধিনায়কত্বতাই বেশি বেশি কাম্য
হেরে যাওয়া যেন মরে যাওয়া l
সেটা স্বামী স্ত্রী হউক কিংবা ছেলেমেয়ে এবং ভাই বোনের মধ্যেও।
পারস্পরিক সহনশীলতা, শ্রদ্ধা ভক্তি, ন্যায় নীতিবোধ আজকাল অদৃশ্য প্রায়
অন্যদিকে সমাজ এবং সামাজিকতায় যে অমিয় ভাবনা ছিল
তা আজকাল পরম স্বার্থ দ্বন্দে সামাজিক সম্পর্কের শৃঙ্খলাকে ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে।
তাই মানুষ আজ অশান্ত, জীবন অশান্ত, ঘর অশান্ত, প্রকৃতি অশান্ত, সমাজ ও রাষ্ট্র অশান্ত
এবং স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও তাই চরম দ্বিধাগ্রস্ত।
মানুষ তার নিজ নিজ আসল শান্তি কোথায়
সেই বোধটুকু সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে ফেলেছে।
মানুষের সেই বোধশক্তিকে পুনর্জাগরিত করার জন্যই
হয়তোবা, শ্রষ্টা সমগ্র পৃথিবীর মানুষগুলোকে ঘরে আবার ফিরিয়ে এনেছে।
এখনই সঠিক সময়; নিজ নিজ ভ্রান্তিগুলোকে
একবার চোখ খুলে তাকিয়ে বুঝে নেয়ার;
শান্তি নিজ নিজ মনে, নিজ ঘরে, সমাজ, রাষ্ট্র
এবং একে অপরে ll
♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡
১২ এপ্রিল ২০২০
ভার্জিনিয়া ইউ এস এ
Monday, April 13, 2020
Saturday, April 11, 2020
"পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন"
"পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন"
মিজানুর ভূইয়াঁ মানুষ
যখন ব্যাবিচারে নির্মূল করছে
প্রাকৃতিক পরিবেশ আর বৃক্ষকূল l
পাখিরাও আজ তাই প্রতিবাদ মুখর
নিজেদের দাবী করবে উশুল l
বৃক্ষ ছেড়ে তাই আজ প্রতিবাদসভা
বসে বৈদ্যুতিক তারে l
সবাই মিলে করছে কঠিন যুদ্ধপণ
দেখা যাক কে জীতে; আর কে হারে l
পৈতৃক আবাসন মানুষ নিচ্ছে কেড়ে
তাওকি এতো সহজে দেয়া যায় ছেড়ে l
পাখিদের মনে তাই ভীষণ ক্ষোপ
থাকা যায়না আর একেবারেই চুপ l
মনে নিয়ে বজ্র কঠিন প্রতীজ্ঞা
ঘর ছেড়ে সবাই মিলেছে মহাসম্মেলনে l
লড়াই হবে এবার ভীষণ প্রতিরোধের
অগ্নিবাষ্প জেগেছে সবার মনে l
আর নয় পরিবেশ নিদন
তাই পাখিরাও সবাই মিলে নেমেছে আন্দোলনে l
প্রাকৃতিক পরিবেশ বাঁচলে বাঁচবে মানুষ;
বাঁচবে সকল প্রাণীর আহার ও জীবন ll
২৬ অক্টোবর ২০১৯
ভার্জিনিয়া ইউ এস এ
মিজানুর ভূইয়াঁ মানুষ
যখন ব্যাবিচারে নির্মূল করছে
প্রাকৃতিক পরিবেশ আর বৃক্ষকূল l
পাখিরাও আজ তাই প্রতিবাদ মুখর
নিজেদের দাবী করবে উশুল l
বৃক্ষ ছেড়ে তাই আজ প্রতিবাদসভা
বসে বৈদ্যুতিক তারে l
সবাই মিলে করছে কঠিন যুদ্ধপণ
দেখা যাক কে জীতে; আর কে হারে l
পৈতৃক আবাসন মানুষ নিচ্ছে কেড়ে
তাওকি এতো সহজে দেয়া যায় ছেড়ে l
পাখিদের মনে তাই ভীষণ ক্ষোপ
থাকা যায়না আর একেবারেই চুপ l
মনে নিয়ে বজ্র কঠিন প্রতীজ্ঞা
ঘর ছেড়ে সবাই মিলেছে মহাসম্মেলনে l
লড়াই হবে এবার ভীষণ প্রতিরোধের
অগ্নিবাষ্প জেগেছে সবার মনে l
আর নয় পরিবেশ নিদন
তাই পাখিরাও সবাই মিলে নেমেছে আন্দোলনে l
প্রাকৃতিক পরিবেশ বাঁচলে বাঁচবে মানুষ;
বাঁচবে সকল প্রাণীর আহার ও জীবন ll
২৬ অক্টোবর ২০১৯
ভার্জিনিয়া ইউ এস এ
Monday, March 30, 2020
"এমন বিষন্ন সন্ধ্যে আর কখনো আসেনি
মিজানুর ভূইয়াঁ
এখন প্রতিটি সন্ধ্যে আসে অনেক বেশি অন্ধকার হয়
এমন বিষন্ন অন্ধকারাচ্ছন্নতা আগে কখনোই ছিলোনা l
এখন প্রতিটি সন্ধ্যে আসে বুকের ভেতর অনেক
ভয় আর আতঙ্ক নিয়ে l
দিনের আলোর সূর্যটি ডুবে যাওয়ার পর বুকের ভেতর কান্নাগুলো,
ধীরে ধীরে গভীর থেকে গিভীরতর হতে থাকে l
কি যেন এক বিষন্নতা কালো ধোয়ার মতো
মনকে করে দেয় ফ্যাকাশে l
কি যেনো ছিল, আগে এখন আর তা নেই;
অথবা সবই আছে, তবে হারাবার ভীষণ ভয়ে সন্ত্রস্ত মন l
শুনেছি মৃত্যুদূত কখনো জানান দিয়ে আসে, আবার কখনো অদৃশ্যে l
তবে যেই মৃত্যু আতঙ্ক আজ পৃথিবীময় সকলকে সন্ত্রস্ত করে তুলেছে;
এই মৃত্যুদানব একেবারেই অদৃশ্য এবং বায়ুবীয় l
এই জীবনহন্তা বায়ুবীয় দানব এতই নির্মম নিষ্টুর;
আক্রান্ত মানুষটির জীবন নাশের সময়,
স্বজন প্রিয়জনদেরকেও একটু শোক তাপ করার জন্য কাছে আসতে দেয়না l
প্রতিহিংস হয়ে উঠে বর্বর দানবের মতো
আর অমনি ঝাঁপিয়ে পড়ে সবার উপর প্রচন্ড আক্রোশে l
অদৃশ্য এই মানবনিধক এমনই নির্মম পাষণ্ড
কাউকেই দেয়না রেহাই যতটুকু তার বিস্মৃত দিগন্ত l
এই মৃত্যু দানব প্রকৃতি থেকে উৎসারিত, নাকি
দুষ্ট মানব মনের কুকীর্তি; সেটাই আজ ভাবার বিষয় l
কুচক্রীমহল হয়তো বুঝেগেছে মিসাইল ক্ষেপণাস্র্রে
এখন আর ভীতসন্ত্রস্ত করা কিংবা একচ্ছত্র
কতৃত্ব টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয় l
তাই এবার ভিন্ন পথে সেই কাজটি করার প্রয়াস চালাবার প্রচেষ্টা,
যদি সত্যিই তাই হয়, সে-ই হবে হয়তো ঘৃণ্য
মানুষ নামের দুইপায়া হিংস্র্র জন্তু l
কে জানে; একি প্রকৃতির বিরূপ বিপর্যয়, নাকি
দুষ্টমনের নিদারুন নিষ্ঠুর মরণ খেলা ll
৩০শে মার্চ ২০২০
ভার্জিনিয়া ইউ এস এ
Wednesday, March 11, 2020
"বসন্ত বনে ও মনে"
"বসন্ত বনে ও মনে"
মিজানুর ভূঁইয়া
মিজানুর ভূঁইয়া
বসন্ত এসেছে আর কেউ না জানুক
জানে পাখি, জানে ফুলকলিরা l
জানে বৃক্ষশোভিত সবুজ কচি পাতারা,
প্রকৃতিকে অপরূপ সাজে সাজিয়ে দিয়ে যায় চারিদিকে;
অপরূপ এক মনোমুগ্দকর দৃশ্যমানতায়
ফুলে ফলে পত্রে ভরে উঠে বন বাদারী আর আঙ্গিনা l
জানে তৃষিত হৃদয়য়ের কাঙ্খিত স্বপ্ন ভরা দুটি আঁখি
যৌবনের পরশ ছুঁইয়ে যাওয়া কিশোরী মন l
যেনো প্রস্ফুটিত ফুলের মতো ফুটে উঠে
সুসৌরোভিত রঙ্গিন তরতাজা একগুচ্ছ পাপড়ি l
জানে দখিনা বাতাস এলোমেলো দোলায়
দোলা দিয়ে যায় বৃক্ষলতা আলিঙ্গনে মধুময় মিলন সমারোহে l
জাগে প্রাণে পুলোকিত কামনা উঁকি দেয় মনের কোণে
স্বপ্নেরা বাসা বাঁধে নুতন চেতনার উন্মেষে l
বসন্ত বাতাসে জাগায় শিহরণ দেহ মনে
সদ্য প্রস্ফুটিত ফুলের মতোই সাজে মন নতুন রূপে l
কাছে টানে আলিঙ্গন প্রত্যাশায় ভরে দিতে তৃষ্ঞার জলে
সৌরভমাখা চুম্বনে বসন্ত মন পুলকিত হয়ে নেচে
উঠে ভরা যৌবন হরষে মহামিলনের মহাউৎসবে l
জেগে উঠে প্রাণে প্রাণে বসন্ত সৌরভ
অপরূপ মনমুগ্ধতায় ফুলে ফুলে হয় মহা আলিঙ্গন l
যৌবন সরসী মনমাতানো অপরূপ সুন্দর্যতায় চারিদিকে
প্রকৃতি সাজে নানা রঙ্গে, আনন্দ হিল্লোলে নেচে উঠে প্রাণ মন l
বসন্ত আসে উর্বরা ভরপুর আনন্দ নিয়ে বনে ও মনে
সৌন্দর্য্য লীলায় ভরে উঠে বন, জাগে প্রাণে আনন্দ শিহরণ l
নব যৌবন ডাক দিয়ে যায় তৃষিত আকাঙ্খার ফুলবনে
মধু মিলনের অপরূপ স্বপ্ন জেগে উঠে দু'নয়নে l
বসন্ত বাতাস দেহ মনে জাগায় এক নতুন শিহরণ
ফুল ও পাপড়ির সাথে হয় ভ্রমরের গুঞ্জরিত মহামিলন l
বসন্ত নতুন এক রঙ্গিন আভায় বনে বনে ফুল ফুঁটায়
জাগিয়ে তোলে উর্বশী মনে উষ্ণভালবাসার এক ভাবমূর্তিতা l
জানে পাখি, জানে ফুলকলিরা l
জানে বৃক্ষশোভিত সবুজ কচি পাতারা,
প্রকৃতিকে অপরূপ সাজে সাজিয়ে দিয়ে যায় চারিদিকে;
অপরূপ এক মনোমুগ্দকর দৃশ্যমানতায়
ফুলে ফলে পত্রে ভরে উঠে বন বাদারী আর আঙ্গিনা l
জানে তৃষিত হৃদয়য়ের কাঙ্খিত স্বপ্ন ভরা দুটি আঁখি
যৌবনের পরশ ছুঁইয়ে যাওয়া কিশোরী মন l
যেনো প্রস্ফুটিত ফুলের মতো ফুটে উঠে
সুসৌরোভিত রঙ্গিন তরতাজা একগুচ্ছ পাপড়ি l
জানে দখিনা বাতাস এলোমেলো দোলায়
দোলা দিয়ে যায় বৃক্ষলতা আলিঙ্গনে মধুময় মিলন সমারোহে l
জাগে প্রাণে পুলোকিত কামনা উঁকি দেয় মনের কোণে
স্বপ্নেরা বাসা বাঁধে নুতন চেতনার উন্মেষে l
বসন্ত বাতাসে জাগায় শিহরণ দেহ মনে
সদ্য প্রস্ফুটিত ফুলের মতোই সাজে মন নতুন রূপে l
কাছে টানে আলিঙ্গন প্রত্যাশায় ভরে দিতে তৃষ্ঞার জলে
সৌরভমাখা চুম্বনে বসন্ত মন পুলকিত হয়ে নেচে
উঠে ভরা যৌবন হরষে মহামিলনের মহাউৎসবে l
জেগে উঠে প্রাণে প্রাণে বসন্ত সৌরভ
অপরূপ মনমুগ্ধতায় ফুলে ফুলে হয় মহা আলিঙ্গন l
যৌবন সরসী মনমাতানো অপরূপ সুন্দর্যতায় চারিদিকে
প্রকৃতি সাজে নানা রঙ্গে, আনন্দ হিল্লোলে নেচে উঠে প্রাণ মন l
বসন্ত আসে উর্বরা ভরপুর আনন্দ নিয়ে বনে ও মনে
সৌন্দর্য্য লীলায় ভরে উঠে বন, জাগে প্রাণে আনন্দ শিহরণ l
নব যৌবন ডাক দিয়ে যায় তৃষিত আকাঙ্খার ফুলবনে
মধু মিলনের অপরূপ স্বপ্ন জেগে উঠে দু'নয়নে l
বসন্ত বাতাস দেহ মনে জাগায় এক নতুন শিহরণ
ফুল ও পাপড়ির সাথে হয় ভ্রমরের গুঞ্জরিত মহামিলন l
বসন্ত নতুন এক রঙ্গিন আভায় বনে বনে ফুল ফুঁটায়
জাগিয়ে তোলে উর্বশী মনে উষ্ণভালবাসার এক ভাবমূর্তিতা l
Virginia, USA
March 07 2020
Tuesday, March 3, 2020
"করোনা" করেনা করুনা
"করোনা" করেনা করুনা
মিজানুর ভূইয়াঁ
করোনা দেখি করবেনা করুনা
ধরবে গলা টিপে l
সারা পৃথিবী আজ বড়ই অসহায়
মুশকিল থাকা টিকে l
এক এক করে আসছে ভীষণ ধেয়ে
চিনে ইহার জন্ম l
মৃত্যু পরোয়ানা দিয়ে দেয় একেবারে
ক্ষমা নাই কারো জন্য l
বিশ্ব আজি চারিদিকে ভীষণ শঙ্কাগ্রস্থ
অর্থনীতি ভীষণ মন্দা l
এমনতর ভয়ানক জীবনঘাতী বীমার
মানব জীবন হন্তা l
সাপ ব্যাঙ ইঁদুর বাদুর খেকোরা সবাই
ফেলেছে সারা বিশ্বকে বিপদে l
খেকোদের সেই মাসুল নিরীহ মানুষ এখন
দিচ্ছে তিলে তিলে l
জীবন এখন প্রতিনিয়তই হুকির সমুক্ষিন
পালাবার উপায় নেই l
কোরোনার আতঙ্কে সবাই সন্ত্রস্ত এখন
হ্যান্ডশেক করেনা কেউ l
ব্যাবসা বাণিজ্য অফিস আদালত নিঃস্তব্ধ
চারিদিকে একই আলাপ শুনি করোনা l
এতোই নিষ্ঠুর এই মরণ ব্যাধি
করেনা কোনো করুনা l **********************************
ভার্জিনিয়া ইঊ এস এ
মার্চ ৩ ২০২০
মিজানুর ভূইয়াঁ
করোনা দেখি করবেনা করুনা
ধরবে গলা টিপে l
সারা পৃথিবী আজ বড়ই অসহায়
মুশকিল থাকা টিকে l
এক এক করে আসছে ভীষণ ধেয়ে
চিনে ইহার জন্ম l
মৃত্যু পরোয়ানা দিয়ে দেয় একেবারে
ক্ষমা নাই কারো জন্য l
বিশ্ব আজি চারিদিকে ভীষণ শঙ্কাগ্রস্থ
অর্থনীতি ভীষণ মন্দা l
এমনতর ভয়ানক জীবনঘাতী বীমার
মানব জীবন হন্তা l
সাপ ব্যাঙ ইঁদুর বাদুর খেকোরা সবাই
ফেলেছে সারা বিশ্বকে বিপদে l
খেকোদের সেই মাসুল নিরীহ মানুষ এখন
দিচ্ছে তিলে তিলে l
জীবন এখন প্রতিনিয়তই হুকির সমুক্ষিন
পালাবার উপায় নেই l
কোরোনার আতঙ্কে সবাই সন্ত্রস্ত এখন
হ্যান্ডশেক করেনা কেউ l
ব্যাবসা বাণিজ্য অফিস আদালত নিঃস্তব্ধ
চারিদিকে একই আলাপ শুনি করোনা l
এতোই নিষ্ঠুর এই মরণ ব্যাধি
করেনা কোনো করুনা l **********************************
ভার্জিনিয়া ইঊ এস এ
মার্চ ৩ ২০২০
Tuesday, January 21, 2020
"দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা"
"দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা "
মিজানুর ভূঁইয়া
চোখের তারায় স্বপ্ন যেদিন বেঁধেছিলো বাসা,
সেদিন থেকেই মনের ভেতর এলো ভাষার আশা l
হাজার তোপের মুখেও বীর করেনি নত মাথা
বুক পেতে এগিয়ে গিয়েছে মানেনি কোনো বাধা l
আকাশ বাতাস কেঁদেছিলো শোকের মাতম করে
দস্যুরা সব নিচ্ছে আমার মুখের ভাষা কেড়ে l
ঢাকার বুকে তাক করেছে হাজার কামান সেনা
লুটেপুটে নিতে চায় মায়ের গলার সোনা l
মা যে মোদের অভাগা নয়, রুখে দিতে পারে
পাক সেনারা সেই কথাটি বুঝেছে সেদিন হাড়ে হাড়ে l
কামান দাগিয়ে গুলি ছুড়ে পাকবাহিনী ভাষা কেড়ে নেবে
মায়ের ঘরের বীর সন্তান সহজে কি তা ছেড়ে দিবে l
লাঠিশোঠা যার যা আছে হাতে তুলে নিলো
মায়ের ভাষার জন্য তারা নিজের বুক পেতে দিলো l
সালাম জব্বার রফিক শফিক অজানা অনেক শহীদ হলো
ঢাকার রাজপথ শহীদের রক্তে সেদিন হলো টলোমলো l
মায়ের কাছে শেখা প্রথম ভাষা স্বর্গসুখে ভরা
মুখের সেই বুলি কেড়ে নেবে এমন আছে কারা l
অনেক আশার বর্ণমালা ভাসলো রক্তের স্র্রোতে
বাঙ্গালী জাতীর নিজ ভাষার স্বপ্ন কে তাহা রোধে l
জীবন দিলো বীরসন্তানেরা মায়ের ভাষার নামে
সেই গৌরবের ইতিহাস সবাই আজ বিশ্বজুড়ে জানে l
গর্বিত আজ বীর বাঙ্গালী নিজ ভাষা রক্ত দিয়ে কেনা
এমনতর ত্যাগের ইতিহাস দুনিয়াজুড়ে নাই কারো জানা l
দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, মায়ের মুখের ভাষা
গর্বেভরা বুকে তাই ; ফুটে উঠে হাজার রকম আশা l
******************************
ভার্জিনিয়া, ইউ এস এ
২১সে জানুয়ারী ২০২০
মিজানুর ভূঁইয়া
চোখের তারায় স্বপ্ন যেদিন বেঁধেছিলো বাসা,
সেদিন থেকেই মনের ভেতর এলো ভাষার আশা l
হাজার তোপের মুখেও বীর করেনি নত মাথা
বুক পেতে এগিয়ে গিয়েছে মানেনি কোনো বাধা l
আকাশ বাতাস কেঁদেছিলো শোকের মাতম করে
দস্যুরা সব নিচ্ছে আমার মুখের ভাষা কেড়ে l
ঢাকার বুকে তাক করেছে হাজার কামান সেনা
লুটেপুটে নিতে চায় মায়ের গলার সোনা l
মা যে মোদের অভাগা নয়, রুখে দিতে পারে
পাক সেনারা সেই কথাটি বুঝেছে সেদিন হাড়ে হাড়ে l
কামান দাগিয়ে গুলি ছুড়ে পাকবাহিনী ভাষা কেড়ে নেবে
মায়ের ঘরের বীর সন্তান সহজে কি তা ছেড়ে দিবে l
লাঠিশোঠা যার যা আছে হাতে তুলে নিলো
মায়ের ভাষার জন্য তারা নিজের বুক পেতে দিলো l
সালাম জব্বার রফিক শফিক অজানা অনেক শহীদ হলো
ঢাকার রাজপথ শহীদের রক্তে সেদিন হলো টলোমলো l
মায়ের কাছে শেখা প্রথম ভাষা স্বর্গসুখে ভরা
মুখের সেই বুলি কেড়ে নেবে এমন আছে কারা l
অনেক আশার বর্ণমালা ভাসলো রক্তের স্র্রোতে
বাঙ্গালী জাতীর নিজ ভাষার স্বপ্ন কে তাহা রোধে l
জীবন দিলো বীরসন্তানেরা মায়ের ভাষার নামে
সেই গৌরবের ইতিহাস সবাই আজ বিশ্বজুড়ে জানে l
গর্বিত আজ বীর বাঙ্গালী নিজ ভাষা রক্ত দিয়ে কেনা
এমনতর ত্যাগের ইতিহাস দুনিয়াজুড়ে নাই কারো জানা l
দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, মায়ের মুখের ভাষা
গর্বেভরা বুকে তাই ; ফুটে উঠে হাজার রকম আশা l
******************************
ভার্জিনিয়া, ইউ এস এ
২১সে জানুয়ারী ২০২০
Monday, December 30, 2019
"জুটি ভেঙ্গে ছুটি"
"জুটি ভেঙ্গে ছুটি"
মিজানুর ভূঁইয়া
শফিক তোর সাথে অনেকদিন আমার কথা হয়নি
দেশেও আমার যাওয়া হয়নি কয়েক বছর হয়েগেছে,
তাই এরিমধ্য অনেক সময় হয়েগেছে তোর সাথে
শেরাটন সোনারগাঁও কিংবা গুলশান ক্লাবে রাতভর
রং তামাশা গল্প গুজব আর যত্রতত্র আড্ডা দেওয়া হয়নি l
গতকাল হঠাৎ করেই বন্ধু শচীন্দ্রের
একটি টেক্সট মেসেজ পেয়ে কিছুক্ষন একেবারে
নিঃস্বস্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম, আর নিজের মনের কাছেই
বার বার জিজ্ঞেস করছিলাম একি আসলেই সত্য!
নাকি শচীন্দ্র ভুল করে অন্য কারো কথা লিখতে গিয়ে
ভুলবশত শফিক নামটি লিখে ফেলেছে l
বিষয়টি যাচাই করতে গিয়ে তৎক্ষণাৎ বন্ধু ইঞ্জিনিয়ার
শচীন্দ্রকে কল দিয়ে জিজ্ঞেস করতেই
সে আমাকে নিশ্চিত করলো:
তুই হটাৎ করেই নাকি, না ফেরার দেশে চলে গিয়েছিস l
শুনে বুকটা একেবারেই খাঁখাঁ করে উঠলো
মনে প্রচন্ড কষ্ট নিয়েই কাল সারা কেটেছে l
মুহূর্তে মন ছুটে চলে গেলো শৈশব এবং কৈশোরের
দুর্দান্ত ছেলেবেলার সেই স্মৃতিভরা দিনগুলোর দিকে l
পয়ালগাছা হাই স্কুলের বিশাল দুইতলা দালানের
সেই শ্রেণীকক্ষ, যেখানে বসে ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে
প্রচন্ড তামাশা আর দুষ্টামি, বিতর্ক প্রতিযোগিতা
গান, খেলার মাঠে দৌড়াদৌড়ি, খেলাধুলা আরো যে কতো কি!
তুই প্রচন্ড মেধাবী ছিলি আর তাই সব সময়ই
ক্লাসে প্রথম হতি, আর দুষ্টমিতেও ছিলি সবার সেরা l
তার পর আমি উচ্চমাধ্যমিক ক্লাসে পড়ার জন্য
ঢাকায় চলে আসলাম তোর সাথে দুই বছর পর আবার
দেখা ঢাকায় l তুই আইনের ছাত্র আর আমি ভূগোলের l
আজ ভীষণ মনে পড়ে তুই সূর্যসেন হলে থাকতি
সূর্যসেন হলে রাতদিন কতো সময় কাটিয়েছি
যাকিনা বলে আর শেষ করা যাবেনা,
টি এস সি চত্বর, রমনা পার্ক,বাংলা একাডেমির বই মেলা,
পুরানো ঢাকার হাজির বিরিয়ানি মামা হালিম,
নিউমার্কেট, পাবলিক লাইব্রেরি, শাহবাগ চত্বর,
নীলক্ষেতের আড্ডা আরো কতো কি;
তুই প্রথম বি সি এস দিয়ে ডিস্ট্রিক জজের
চাকুরী নিলি, অবশেষে সেই চাকুরীতে ইস্তফা
দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের
শিক্ষক হিসাবে কাজ শুরু করলি, সেটাও অবশেষে
ছেড়ে দিলি, কারণ তোর স্বাধীনচেতা মন তোকে
সব সময়ই তাড়িত করতো নিজস্ব স্বকীয়তাবোধকে
ধারণ করে নিজ মনের গতিতে চলতে l
তারপর নিজউদ্বোগে ব্যাবসা শুরু করে গাড়ি বাড়ি
নাম ধাম অনেক কিছুই করেছিস, কিন্তু তবুও
তোর জীবনের কোথাও যেন কিছু একটা ঘাটতি ছিল,
আর সেই অস্থিরতায় তোকে সদাই তাড়িত করতো
বলেই; সব সময় তোর মধ্যে একটা অস্থিরতা দেখতে পেতাম l
একসময় আমি ইচ্ছার বিপরীতে হলেও প্রবাসে চলে আসি l
তুই আমাকে প্রবাসে আসার জন্য যুক্তি দিয়ে কতইনা বুঝিয়েছিলি,
আমি অবশে স্বপরিবারে প্রবাসে চলে আসলাম l
মাঝে মাঝে যখনই দেশে যেতাম তোরা সবাই চারিদিকথেকে
এসে স্বপরিবারে কোনাকোনো রেস্টুরেন্টে আমরা সবাই জড়োহয়ে
অনেক মজা করতাম, তোর সাথে সেই ছোটবেলা থেকে
জীবনের যতটুকু মেলামেশার স্মৃতি ছিল মুহূর্তেই চোখের সামনে
েএকে একে ভাসতে থাকলো আর নিজের কাছে
একেবারেই অবিশ্বাস্য মনে হলো তুই হঠাৎ করেই
আমাদের বাল্যকাল থেকে শুরু হওয়া বিশাল জুটি থেকে
একেবারেই ছুটি নিয়ে না ফেরার দেশে চলেগেছিস l
আমাদের মন যতই বেদনার ভারে দুঃখ ভারাক্রান্ত হউকনাকেন
আমাদের শুভকামনা তোর জন্য সদাসর্বদাই রয়ে যাবে l
যেখানেই গিয়েছিস, ভালো থাকিস, শান্তিতে থাকিস
বিদায় বন্ধু অনেক অনেক ভালো থাকিস ll
===============================
ইউ এস এ
ডিসেম্বর ৩০ ২০১৯
Subscribe to:
Posts (Atom)
